live-bd.net

Garments Exporter from Dhaka,Bangladesh
We deal with any types of Garments fresh order  &  garments stock lot;

For any inquiry of any item as stock lot or any type of fresh order, pls. mail at tutonbd@gmail.com
Call directly to; Mustansirur Rahman Tuton - CEO of
Tuton Buying Services
at; 01929071011 or  01197-188137; Dhaka ,Bangladesh
countrybangladesh.com
countrybangladesh.net
www.
live-bd.net
mydhaka.net
dailybangladesh.net
onlinebangladesh.net

bangladesh.net
bangladesh.net.in
onlinebangladesh.net

www.jeekir.com
fikirbd.com

দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে মৃত্যু এগিয়ে আসে

ঢাকা: নিয়মিত দীর্ঘ সময় বসে থাকলে তা আপনাকে দ্রুত মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে। অনেকগুলো গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, যারা দীর্ঘক্ষণ বসে থাকে (কর্মক্ষেত্র, টিভি দেখা বা গাড়ি চালনায়) তারা অধিকহারে এমন কিছু রোগে আক্রান্ত হতে পারেন, যা তাদের দ্রুত মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে। দীর্ঘক্ষণ বসার ফলে অতিরিক্ত মোটা হয়ে যেতে পারেন আর এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে যা আপনাকদ্রুত মৃত্যুর পথে ঠেলে দিতে পারে।  

যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত ’ক্রীড়া মেডিসিন’ নামে একটি জার্নালের একটি প্রতিবেদন হতে জানা যায়, চার ঘণ্টার বেশি একটানা বসে থাকলে শরীর আপনাআপনিই গ্লুকোজ এবং মেদ নিয়ন্ত্রণকারী জিনের কার্যকারিতা বন্ধ করে দেয়। শরীরচর্চাও হয়তো দীর্ঘক্ষণ বসার ফলে যে শারীরিক ক্ষতি হয় তা পুষিয়ে দিতে পারবে না।

কানাডায় ব্যাপকভাবে চালানো এক গবেষণা থেকে তথ্য বের হয়ে আসে।

গবেষকরা ১২ বছর ধরে ১৭ হাজার পুর্ণবয়স্ক মানুষের ওপর গবেষণা চালিয়েছেন। এসব ব্যক্তি বেশিক্ষণ ধরে বসে সময় কাটানোর ফলে উচ্চহারে মারাত্মক সব রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। কম বা বেশি শরীরচর্চা এক্ষেত্রে কোনো ইতিবাচক প্রভাব রাখতে পারেনি।  

দীর্ঘক্ষণ বসে যাদের কাজ করতে হয়, তাদের জন্য গবেষকদের উপদেশ হচ্ছে- নিজেকে সচল রাখুন, কর্মক্ষম থাকুন, দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা থেকে নিজেকে বিরত রাখুন এবং সুস্থ জীবন পন করুন

যত ঘাম, তত সুস্থতা

সিডনি: ঘাম সব জন্যই একটি বিরক্তিকর বিষয়। আবার অনেক সময় ঘামের মাধ্যমে কোঝা যায় আপনি কতটা পরিশ্রম করেছেন, কতটা ক্লান্ত। এর বেশি কখনোই হয়ত ঘাম নিয়ে এতটা ভাবা হয়নি। কিন্তু ঘাম নিয়েও আছে নানান অবাক করার তথ্য। ঘামের ধরন, উপকারিতা, সসহ আরো অনেক মজার তথ্য জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার এক দল গবেষক।

ভিন্নতা আছে নারী-পুরুষের ঘামানোর মধ্যে
নারী-পুরুষ পুরোপুরি ভিন্ন। তাদের দেহ গড়ন ভিন্ন, তাদের মানসিকতা ভিন্ন, তাদের খাদ্যাভাস থেকে শুরু করে ঘামানোর মাত্রাটা পর্যন্ত ভিন্ন।

গবেষকরা দেখেছেন, একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ এবং সমবয়সী একজন নারী একই পরিমাণ কাজ, একই সময় ধরে করছে এবং পরিশ্রম একই পরিমাণ করেছে। কিন্তু তাদের তাদের ঘামানোর মাত্র ছিল ভিন্ন। সেই প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ তার সমবয়সী নারীর তুলনায় চারগুণ বেশি ঘাম ঝড়িয়েছে। এই ভিন্নতার পেছনে হরমোন দায়ী বলে মনে করছেন গবেষকরা। তবে তারা এখনো এর নির্দিষ্ট রণ খুঁজে বেড়াচ্ছে। তাদের এই গবেষণার প্রতিবেদনটি কিছুদিন আগে ‘এক্সপেরিমেন্টাল ফিজিওলজি’ নামের একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়।

বেশি ঘাম, মানে সুস্থতা
অনেকেরই ধারণা, বেশি ঘামানো মানে অসুস্থতার লক্ষণ লক্ষণ। কিন্তু এই ধারণাটিকে ভুল বলে উড়িয়ে দিলেন গবেষকরা। তারা জানিয়েছেন, ঘাম বেশি হওয়া মানে হলো আপনি পুরোপুরি ফিট আছেন। যত বেশি ঘাম, তত বেশি সুস্থতা।

এর কারণ হিসেবে গবেষকার বলেছেন, বেশি ঘামানোর মানে হলো আপনি বেশি কাজ করছেন। এর মানে হলো আপনার দেহ যারা কম ঘামায় তাদের তুলনায় অনেক বেশি সক্রিয়। আর তাই দেহের ভেতরে জমে থাকা পানি ঘামের মাধ্যমে বের হয়ে শরীরকে ঠাণ্ডা করে। এর মাধ্যমে পরিশ্রমের ফলে শরীরের তাপমাত্র বেরে গেলে, ঘাম তা নিয়ন্ত্রণ করে এবং আমাদের ফিট রাখে।

পূর্বসূরিদের প্রভাবও আছে ঘামে
আপনি যদি স্বাভাবিকের তুলনায় একটু বেশি ঘামান, তাহলে এতে আপনার কোনো হাত নেই। এর জন্য দায়ী আপনার বংশ।

কারণ, গবেষকদের মতে জন্মগতভাবেই মেজর হিস্টোকম্পাটিবেলিটি নামের একটি অনু ঘামানোর মাত্রা এবং ঘাম সংক্রান্ত যাবতীয় কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রণ করে। আর এই অনুটি আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পাই আমাদের মা-বাবার কাছ থেকে।

অতিরিক্ত ঘাম
আমরা সাধারণত ঘামাই যখন আবহাওয়া অনেক উত্তপ্ত থাকে, অনেক পরিশ্রমের পর, ভয় পেলে অথবা ভারি কোনো কাপড় পরলে। কিন্তু অনেকেই আছে ওপরের কারণগুলো ছাড়াও অহেতুকই ঘামায়। দেখা যায় ঠাণ্ডা কোনো কক্ষে বসে থাকার পর ঘামছে কারো হাত, পা, মুখ বা বগল।

যদি এমনটা আপনার সঙ্গেও হয়, তাহলে বুঝতে হবে এটা একটা রোগ। চিকিসকদের ভাষায় একে বলে হাইপারহাইড্রোসিস। এই রোগে অধিকাংশ সময়েই মানুষ কোনো কারণ ছাড়াই ঘামায়। বিশেষ করে হাতের তালু, পায়ের তলা, বগেএবং মুখমন্ডলে অতিরিক্ত এই ঘামের পত্তি হয়। যা অনেকের জন্যই অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তাই অস্বস্তি থেকে মুক্তি পেতে এবং ভবিষ্যতে বড় কোনো রোগ থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখতে চিকিসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি। কারণ সঠিক সময়ে এর চিকিসা করা না হলে এক সময় এই ঘামানোর রোগ পারকিনসনস এবং ক্যান্সারের মতো ভয়াবহ রূপও ধারণ করতে পারে।

ঘাম দুই ধরনের
ঘামেরও আছে ধরন। আমাদের দেহে দুই ধরনের ঘামের পত্তি হয়ে থাকে। একটি হলো একরিন সোয়েট গ্ল্যান্ড, অপরটি অ্যাপোক্রিন সোয়েট গ্ল্যান্ড।

একদিন সোয়েট সোয়েট গ্ল্যান্ড হলো সাধারণ ঘাম, যা শরীর থেকে জমে থাকা পানি গুলো বের করে দেয়। একটানা কাজ বা ব্যায়াম করলে এই ঘাম শরীর থেকে নিঃসরিত হয়।

অন্যদিকে অ্যাপোক্রিন সোয়েট গ্ল্যান্ড হলো, লোমকুপ থেকে যে ঘম নিঃসরিত হয় তা। অর্থাঅতিরিক্ত গরমে অথবা দুশ্চিন্তা আমাদের মাথার ত্বক বা বগল ঘামলে যে ঘাম বের হয় তা হলো অ্যাপোক্রিন সোয়াট গ্ল্যান্ড

 

দিনে ক্যান্সার থেকে মুক্তি!

ঢাকা: অত্যাধুনিক সাইবারনাইফ রোবোটিক রেডিওসার্জারির মাধ্যমে তিন দিনে সাধারণ ক্যান্সারের চিকিসা সম্ভব। যেখানে অন্য পদ্ধতিতে ক্যান্সারের চিকিসা নিতে ৩০ দিন পর্যন্ত সময় লাগে। তবে ক্যান্সার প্রাথমিক অবস্থাতে সনাক্ত করা গেলেই এই পদ্ধতি চিকিসা দেওয়া সম্ভব। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়া লিভার, ফুসফুস, ব্রেইন, ব্রেস্ট, স্পাইনসহ শরীরের যেকোনো স্থানে ক্যান্সার কিংবা নন-ক্যান্সার টিউমারের চিকিসা পদ্ধতি সম্ভব।

শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, উন্নত বিশ্বে প্রায় ১০ বছর আগেই এই পদ্ধতি ব্যবহার শুরু হলেও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ স্বল্পতার কারণে এটি ব্যবহার শুরু করে অনেক দেরিতে। ২০০৯ সালে ভারতের চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো বিশেষায়িত হাসপাতাল এই রোবোটিক রেডিওসার্জারি পদ্ধতিতে ক্যান্সারের চিকিসা প্রথম শুরু করে। এখন পর্যন্ত তা অব্যাহত আছে।

সংবাদ সম্মেলনে অ্যাপোলো হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিসক ডা. দেব নারায়ণ দত্ত বলেন, প্রাথমিক অবস্থায় রোগ নির্ণয় করা গেলে সহজে ক্যান্সারের চিকিসা সম্ভব। অল্প সময়ে সাইবারনাইফ রোবোটিক রেডিওসার্জারির মাধ্যমে বিনা অস্ত্রোপ্রচারে এর চিকিসা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির সুস্থ টিস্যুর ক্ষতি না করেই শুধু ক্যান্সার কোষে রেডিয়েশন দেওয়ার মাধ্যমে পদ্দতি চিকিসা দেওয়া হয়। আর যেকোনো ধরনের ক্যান্সারে এটি প্রযোজ্য।

ডা. দেব নারায়ণ বলেন, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের মধ্যে ক্যান্সার বিষয়ক সচেতনতা তৈরি করতে হবে। যাতে কোনো লক্ষণ দেখলে তারা দ্রুত চিকিসা নিতে আসে। সচেতনতা না থাকায় অঞ্চলের প্রায় ৯৯ শতাংশ ক্যান্সার রোগ রোবোটিক রেডিওসার্জারি পদ্ধতি চিকিসা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ তারা দেরিতে আসছেন।

সংবাদ সম্মলনে হাসপাতালের মহাব্যবস্থাপক মার্তু প্রসাদ জানান, গত দু বছরে সেখান থেকে বিশ্বের ছয় শতাধিক ক্যান্সার রোগিকে চিকিসা দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে বাংলাদেশের প্রায় শতাধিক রোগী চিকিসা নিয়ে বর্তমানে সুস্থ জীবনযাপন করছেন।

ব্যয় প্রসঙ্গে মার্তু প্রসাদ বলেন, রোবোটিক ডিওসার্জারি পদ্ধতিতে থাইল্যান্ড বা সিঙ্গাপুরে যেখানে ক্যান্সারের চিকিসায় খরচ হবে প্রায় ৫০ লাখ সেখানে ভারতে লাগবে মাত্র তিন থেকে পাঁচ লাখ টাকা। আর ইউরোপ আমেরিকাতে গিয়ে এই চিকিসা নিতে খরচ হবে এক থেকে দেড় কোটি টাকা।

তিনি বলেন, এখানে রোগীর চিকিসা নিতে সময় কম লাগবে। এতে করে তার সময় যেমন বাচবে। আবার খরচও কমবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিটি ব্যাংকের রিটেইল ব্যাংকিং শাখার প্রধান জাবেদ আমিন অ্যাপোলো হাসপাতাল চেন্নাইয়ের এজেন্ট গ্লোবাল টেলিমেডিসিনের প্রধান নির্বাহী আব্দুর রব। গ্লোবাল টেলিমেডিসিন সংবাদ সমমেলনের আয়োজন করে।

জাবেদ আমিন জানান, বাংলাদেশ থেকে বছরে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার রোগী চিকিসা নিতে বিদেশে যাচ্ছে। কিন্তু মাত্র কয়েক হাজার চিকিসার কথা বলে যাচ্ছেন। বাকিরা পর্যটন ভিসাতে যাচ্ছেন। সচেতনার অভাবে এটি হচ্ছে। এতে করে তাদের নানা ঝুঁকির মধ্যে পড়তে হচছে। অনেক সময় অর্থ সংকট হচ্ছে। কিন্তু চিকিসার কথা বলে গেলে ব্যাংকের মাধ্যমে প্রয়োজন সাপেক্ষে ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত নেওয়া যাবে। আর সে সেবা দিতে প্রস্তুত সিটি ব্যাংক লিমিটেড

 

 

সিগারেট ছাড়াবে ৭০০ টাকার বড়ি

ঢাকা: যারা সিগারেট ছেড়ে দিতে চান কিন্তু পারছেন না, তাদের জন্য এবার সুখবর বয়ে এনেছে একটি পিল। ওই পিল গ্রহণ করলে ধীরে ধীরে আপনার সিগারেটের নেশা কেটে যাবে। স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর জিনিস এক সময় আর ঠোঁটে নিতে আপনার ইচ্ছে করবে না। পুরো কোর্সের পিল দাম মাত্র ৭০০ টাকা ( পাউন্ড) জাদুকরি ওই পিলের নাম ট্যাবেক্স। বিগত ৪০ বছর ধরে এই ট্যাবেলট রাশিয়া এবং পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে ব্যবহার হচ্ছে। এখন ব্রিটিশ চিকিসকরা এটা তাদের দেশে গ্রহণযোগ্য করতে চাচ্ছেন। কারণ ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস) দেখেছে, এই ট্যাবলেট সিগারেটের নেশা থেকে মুক্ত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

সিগারেট ছেড়ে দেওয়ার পুরো কোর্সটি মাত্র চার সপ্তাহের। প্রথম তিন দিন ছয়টি করে ট্যাবলেট খেতে হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে ট্যবলেট খাওয়ার হার কমিয়ে দিনে মাত্র দুটি করে খেতে হবে এবং চার সপ্তাহ চলবে এই কোর্স

সম্প্রতি এনএইচএস নিকোটিন চাহিদা প্রতিরোধে প্যাচ এবং চ্যামপিক্সের ওপর নজর দেন। কিন্তু দেখা যায়, চ্যামপেক্স আত্মহত্যা প্রবণতা বাড়ায় এবং এটা খুব দামী। এছাড়া এটা মোট ১২ সপ্তাহ খেতে হয় এবং এর দাম ১৬০ পাউন্ড।

ট্যাবেক্স তৈরি হয় সাইটোসিন থেকে। সাইটোসিন নিকোটিন সম্পূরক রাসায়নিক উপাদান। ল্যবরনাম (হলুদ ফুল বিশিষ্ট এক প্রকার গাছ) বীজে এই সাইটোসিন পাওয়া যায়।

এর আগে মাদক ওয়াচডগ এই ওষুধটিকে ভালো বলেছিল। বর্তমানে মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিল এবং ক্যান্সার রিসার্চ যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞানীরা বলছে, ট্যাবেক্স ধীরে ধীরে সিগারটের প্রতি বিতৃষ্ণা তৈরি করে। ৭৪০ জন রোগীর ওপর গবেষণা চালিয়ে তারা তথ্য জানান।

গবেষণা দলের প্রধান ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক রবার্ট ওয়েস্ট বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী কয়েক বিলিয়ন ধুমপায়ী আছে এবং ফুসফুস ক্যান্সার এখনও এক নম্বর হন্তারক  

 

 

স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় মাছ

স্টকহোম, অক্টোবর: ‘মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে...’ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের এই আকুলতা যেন প্রতিটি মানুষের চোখে-মুখে ফুটে ওঠে। অথচ একটু বয়স হলেই দেখা যায় স্ট্রোকের প্রবণতা। কারো ক্ষেত্রে সামান্য হলেও, অনেকেরই মৃত্যু ডেকে আনে এই স্ট্রোক।

আন্তর্জাতিক গবেষণা থেকে জানা গেছে, বেশি করে মাছ খাওয়ার মাধ্যমে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। তবে তাই বলে প্রত্যেক বেলার খাবারে মাছ থাকতেই হবে- তা নয়। বরং বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রত্যেক সপ্তাহে অন্তত কয়েক বেলা খাবার টেবিলে মাছ রাখলেই এই লাভের আশা করা যায়৷ আর মাছে-ভাতে বাঙালিদের জন্য এটা তো কোনো বিষয়ই নয়।

সুইডেনের ক্যারোলিন্সকা ইন্সটিটিউটের গবেষক সুজানা লারসন এবং নিকোলা অরসিনি ‘স্ট্রোক’ নামের বৈজ্ঞানিক সাময়িকীতে লিখেছেন মাছ খাওয়ার সঙ্গে স্ট্রোকের সম্পর্কের কথা৷

বিজ্ঞানীরা বলছেন, মাছের দেহে থাকা ওমেগা- নামের ফ্যাটি অ্যাসিড মানুষের দেহের রক্তচাপ এবং কোলেস্টোরালের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। আমেরিকা, চীন, জাপান এবং ইউরোপের ১৫টি বৈজ্ঞানিক গবেষণা বিশ্লেষণ করে এমন ফল পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এসব গবেষণায় ৩০ থেকে ১০৩ বছর বয়সি প্রায় চার লাখ মানুষ অংশ নেন। এই গবেষণাগুলোতে অংশগ্রহণকারীদের প্রশ্ন করা হয়েছিল তারা কী হারে মাছ খেয়ে থাকেন। এরপর চার থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত তাদের পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে যে তাদের মধ্যে কারা স্ট্রোকের শিকার হচ্ছেন।

এই গবেষণাগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘হার্ভার্ড স্কুল পাবলিক হেলথ’ বিজ্ঞানী ডারিউশ মোজাফফারিয়ানের পরীক্ষা-নিরীক্ষা গুলো। তিনি তার পরীক্ষার ফলাফলে বলেন, “আমি মনে করি, মাছ থেকে সার্বিকভাবে ভালো পুষ্টি পাওয়া যায়। আর বিশেষ করে ওমেগা- স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে।” তিনি আরো জানান, “অনেকগুলো পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, সপ্তাহে দুই থেকে তিন বেলা মাছ খেলেই এই উপকার পাওয়া সম্ভব।”

মাছের দেহে থাকা ভিটামিন ডি, সেলেনিয়াম এবং বেশকিছু আমিষও এক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে উল্লেখ করেন মোজাফফারিয়ান। বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রত্যেক সপ্তাহে তিন বেলা মাছ খেলে স্ট্রোকের ঝুঁকি ছয় শতাংশ কমে যায়৷

বিজ্ঞানীদের মতে, সারাজীবন বেশ ভালো পরিমাণে মাছ খায় এমন একশজন মানুষের মধ্যে হয়তো কোনো একজনের হালকা স্ট্রোক ঘটতে পারে৷ তবে বিজ্ঞানী মোজাফফারিয়ান বিষয়টিকে আরো খানিকটা সুস্পষ্ট করে বলেন, “যারা শুধুমাত্র ভাজা মাছ কিংবা মাছের তৈরি স্যান্ডউইচ খান তারা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে মাছের যে উপকার তা খুব একটা পান না।”

অবশ্য তিনি স্ট্রোক থেকে বাঁচার জন্য বেশি করে মাছ খাওয়ার পাশাপাশি সুষম খাদ্য, নিয়মিত শরীরচর্চা, স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত চিকিসকের পরামর্শ নেয়ার ব্যাপারেও সুপারিশ করেন।

সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে, আর দেরি নয়। স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে মাছ খাওয়া বাড়াতে হবে এখন থেকেই। সেই সঙ্গে পরিবর্তন অনতে হবে লাইফস্টাইলেও

দিনে অন্তত ১৫ মিনিট হাসুন

নয়া দিল্লি, সেপ্টেম্বর: আমরা নাকি দিন দিন হাসতে ভুলে যাচ্ছি! সম্প্রতি একদল গবেষক দীর্ঘদিনের গবেষণা শেষ করে এই তথ্যটি জানালেন।

তারা জানালেন, কয়েক বছর আগেও আমরা দিনে ১৮ মিনিট প্রাণ খুলে হাসতাম। িন্তু এখন নাকি সেই সময় কমে ছয় মিনিটে এসে দাঁড়িয়েছে। তাদের মতে, এভাবেই হাসির পরিমাণ কমতে থাকলে হাসি যে শুধু ইতিহাস হয়ে যাদুঘরে জায়গা নিবে তাই শুধু নয়, আমাদের স্বাস্থ্যেও পড়বে এর নেতিবাচক প্রভাব।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, একজন শিশু দিনে তিনশ থেকে চারশ বার জোরে জোরো হাসে। যা তাদের সারাদিন প্রাণবন্ত, সতেজ এবং চঞ্চল রাখে। এই কর্মব্যস্ত জীবনে একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির পক্ষে হয়তো তিনশ থেকে চারশবার হেসে ওঠা সম্ভব না। কিন্তু প্রতিদিন যদি অন্তত ১৫ মিনিট সময় হাসির জন্য বরাদ্দ রাখা যায় তাহলে কাজের চাপে ক্লান্ত একজন মানুষও সারদিন শিশুদের মতোই ক্লান্তিহীন থাকতে পারবে।

নয়া দিল্লির ইন্দ্রপ্রস্থা অ্যাপলো হসপিটালের কার্ডিওলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. এস কে গুপ্তা বলেছেন, “হাসি হলো হৃদযন্ত্রের জন্য সবচেয়ে উত্তম ব্যায়াম। আমরা যখন হেসে উঠি তখন আমাদের হার্টরেট বেড়ে যায় এবং তা আমাদ মস্তিষ্ককে রিলাক্স করে।”

এখানে ডা. গুপ্তা হাসি বলতে কিন্তু চাপা হাসির কথা বলেননি। হাসি বলতে এখানে অট্টহাসিকে বোঝানো হয়েছে।

ওই হাসপাতালেরই কার্ডিওলজি বিভাগের আরেক কনসালটেন্ট ডা. কাটারিয়া বলেন, “মুখ খুলে অট্টহাসি যেমন স্বাস্থ্যের জন্য আর্শীবাদ স্বরূপ। বিপরীত দিক থেকে চাপা হাসি, যাকে বিজ্ঞানীরা প্যান-প্যান শব্দের হাসি বলেন, তা স্বাস্থের জন্য ততখানিই খারাপ।”

তিনি আরো বলেন, “বর্তামানের এই কর্মব্যস্ত জীবনে সবাই যে যার কাজে ব্যস্ত। এবং দারুণভাবে দুশ্চিন্তা, অবসাদ, ক্লান্তি এবং একাকিত্বে আক্রান্ত। এর ফলে অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছে মানসিক রোগে। আবার অনেকেই ক্লান্তি, অবসাদ, একাকিত্ব এবং দুশ্চিন্তা দূর করার জন্য অ্যালকোহল, ধূমপান এবং মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ছে। যা শারীরিকভাবেও সৃষ্টি করছে নানান রোগের। তাই সবার কাছে এই বার্তাটি পৌঁছে দেয়াটা অনেক জরুরি যে, সব ধরনের মানসিক রোগ, অবসাদ, ক্লান্তি এবং দুশ্চিন্তার সবচেয়ে বড় ওষুধ হলো হাসি।”

হাসি দিয়ে যদি সুস্থ থাকা যায়, তাহলে নিজেদের সুস্থতার জন্য ১৫ মিনিট হাসা খুব কঠিন কিছু অবশ্যই না। তাই, প্রাণ খুলে হাসুন এবং সুস্থ থাকুন

 

 

দিনে অন্তত ১৫ মিনিট হাসুন

নয়া দিল্লি, সেপ্টেম্বর: আমরা নাকি দিন দিন হাসতে ভুলে যাচ্ছি! সম্প্রতি একদল গবেষক দীর্ঘদিনের গবেষণা শেষ করে এই তথ্যটি জানালেন।

তারা জানালেন, কয়েক বছর আগেও আমরা দিনে ১৮ মিনিট প্রাণ খুলে হাসতাম। কিন্তু এখন নাকি সেই সময় কমে ছয় মিনিটে এসে দাঁড়িয়েছে। তাদের মতে, এভাবেই হাসি পরিমাণ কমতে থাকলে হাসি যে শুধু ইতিহাস হয়ে যাদুঘরে জায়গা নিবে তাই শুধু নয়, আমাদের স্বাস্থ্যেও পড়বে এর নেতিবাচক প্রভাব।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, একজন শিশু দিনে তিনশ থেকে চারশ বার জোরে জোরো হাসে। যা তাদের সারাদিন প্রাণবন্ত, সতেজ এবং চঞ্চল রাখে। এই কর্মব্যস্ত জীবনএকজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির পক্ষে হয়তো তিনশ থেকে চারশবার হেসে ওঠা সম্ভব না। কিন্তু প্রতিদিন যদি অন্তত ১৫ মিনিট সময় হাসির জন্য বরাদ্দ রাখা যায় তাহলে কাজের চাপে ক্লান্ত একজন মানুষও সারাদিন শিশুদের মতোই ক্লান্তিহীন থাকতে পারবে।

নয়া দিল্লির ইন্দ্রপ্রস্থা অ্যাপলো হসপিটালের কার্ডিওলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. এস কে গুপ্তা বলেছেন, “হাসি হলো হৃদযন্ত্রের জন্য সবচেয়ে উত্তম ব্যায়াম। আমরা যখন হেসে উঠি তখন আমাদের হার্টরেট বেড়ে যায় এবং তা আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করে।”

এখানে ডা. গুপ্তা হাসি বলতে কিন্তু চাপা হাসির কথা বলেননি। হাসি বলতে এখানে অট্টহাসিকে বোঝানো হয়েছে।

ওই হাসপাতালেরই কার্ডিওলজি বিভাগের আরেক কনসালটেন্ট ডা. কাটারিয়া বলেন, “মুখ খুলে অট্টহাসি যেমন স্বাস্থ্যের জন্য আর্শীবাদ স্বরূপ। বিপরীত দিক থেকে চাপা হাসি, যাকে বিজ্ঞানীরা প্যান-প্যান শব্দের হাসি বলেন, তা স্বাস্থের জন্য ততখানিই খারাপ।”

তিনি আরো বলেন, “বর্তামানের এই কর্মব্যস্ত জীবনে সবাই যে যার কাজে ব্যস্ত। এবং দারুণভাবে দুশ্চিন্তা, অবসাদ, ক্লান্তি এবং একাকিত্বে আক্রান্ত। এর ফলে অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছে মানসিক রোগে। আবার অনেকেই ক্লান্তি, অবসাদ, একাকিত্ব এবং দুশচিন্তা দূর করার জন্য অ্যালকোহল, ধূমপান এবং মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ছে। যা শারীরিকভাবেও সৃষ্টি করছে নানান রোগের। তাই সবার কাছে এই বার্তাটি পৌঁছে দেয়াটা অনেক জরুরি যে, সব ধরনের মানসিক রোগ, অবসাদ, ক্লান্তি এবং দুশ্চিন্তার সবচেয়ে বড় ওষুধ হলো হাসি।”

হাসি দিয়ে যদি সুস্থ থাকা যায়, তাহলে নিজেদের সুস্থতার জন্য ১৫ মিনিট হাসা খুব কঠিন কিছু অবশ্যই না। তাই, প্রাণ খুলে হাসুন এবং সুস্থ থাকুন

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Tuton Buying Services

Garments Exporter from Dhaka,Bangladesh
We deal with any types of Garments fresh order  &  garments stock lot;

For any inquiry of any item as stock lot or any type of fresh order, pls. mail at tutonbd@gmail.com
Call directly to; Mustansirur Rahman Tuton - CEO of
at; 01929071011 or  01197-188137; Dhaka ,Bangladesh

 

Copyright© 2010-2012 live-bd.net . All rights . reserved.
Editor- Mustansirur Rahman Tuton
Email- livebd.net@gmail.com

Published by: Civana Naz . Dhaka, Bangladesh